মায়ের গোপন আদর | বাংলা চটি গল্প সিরিজ | পর্ব ১: গোপন ইচ্ছা

মায়ের গোপন আদর

 পর্ব ১: গোপন ইচ্ছা

রাতের অন্ধকারে বাড়িটা নিস্তব্ধ। রিয়া, একটা ৪০ বছরের মা, তার ঘরে শুয়ে আছে। তার স্বামী অনেকদিন ধরে বাইরে কাজে, বাড়িতে শুধু সে আর তার ছেলে অর্জুন। অর্জুন ২২ বছরের যুবক, কলেজে পড়ে, কিন্তু তার চোখে মায়ের প্রতি একটা অন্যরকম দৃষ্টি। রিয়া জানে না, কিন্তু তার মনে কোথাও একটা ফাঁকা জায়গা, যা তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে আরও বড় হয়েছে।

সকালে রিয়া রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা বানাচ্ছে। অর্জুন পেছন থেকে এসে তার কোমর জড়িয়ে ধরে। "মা, আজ তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি আরও সুন্দর হয়ে গেছ।" তার গলা নরম, কিন্তু চোখে একটা আগুন। রিয়া হেসে বলে, "আহ, ছেলে হয়ে মায়ের সাথে এমন কথা বলিস না। যা, নাশতা খেয়ে নে।"

কিন্তু অর্জুনের মনে অন্য চিন্তা। সে তার মায়ের শরীরের কার্ভ দেখে, তার শাড়ির নিচের লাইনগুলো কল্পনা করে। রাতে সে তার ঘরে একা থেকে সেই চিন্তায় মেতে ওঠে – তার হাত নিজের গোপন জায়গায় চলে যায়, আর সে কল্পনা করে মায়ের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে যাওয়া। "মা... তুমি আমার..." সে ফিসফিস করে।

একদিন বিকেলে বৃষ্টি পড়ছে। রিয়া ভিজে বাড়ি ফিরছে, তার শাড়ি শরীরে লেপটে গেছে। অর্জুন তাকে তোয়ালে দিয়ে বলে, "মা, তাড়াতাড়ি কাপড় পাল্টাও।" কিন্তু তার চোখ সরাতে পারছে না। রিয়া তার ঘরে গিয়ে কাপড় খুলতে শুরু করে, দরজা একটু ফাঁকা। অর্জুন বাইরে থেকে দেখে – তার মায়ের উন্মুক্ত শরীর, স্তনের আকার, কোমরের বাঁক। তার মনে একটা ঝড় ওঠে। সে চলে যায়, কিন্তু সেই ছবি তার মাথায় ঘুরতে থাকে।

রাতে রিয়া তার ছেলেকে ডেকে বলে, "অর্জুন, আজ তোর সাথে একটু কথা বলি। তুই একা থেকে কি মনে করিস?" অর্জুন কাছে বসে, তার হাত মায়ের হাতে রাখে। "মা, তুমি ছাড়া আমার কিছু নেই। তুমি আমার সব।" তার আঙুল মায়ের হাতে আলতো করে বুলিয়ে দেয়। রিয়া একটা অদ্ভুত অনুভূতি পায় – তার শরীরে একটা তাপ ছড়িয়ে পড়ে। "আহ, ছেলে... তুই আমার জীবন।" কিন্তু সেই মুহূর্তে দুজনের চোখে চোখ রাখা হয়, আর একটা লুকানো ইচ্ছা জেগে ওঠে।

কয়েকদিন পর। রিয়া তার ঘরে শুয়ে আছে, রাত গভীর। স্বামীর ফোন আসেনি অনেকদিন। তার মনে একটা একাকীত্ব। অর্জুন তার ঘর থেকে উঠে আসে, মায়ের দরজায় নক করে। "মা, আমি ঘুমাতে পারছি না। তোমার সাথে শোব?" রিয়া হেসে বলে, "আয়, ছেলে। তুই তো এখনও ছোট আছিস আমার কাছে।"

অর্জুন বিছানায় শোয়, তার শরীর মায়ের পাশে। রাতের অন্ধকারে তার হাত আস্তে আস্তে মায়ের কোমরে রাখে। রিয়া চমকে উঠে, কিন্তু কিছু বলে না। "মা... তুমি ঠান্ডা লাগছে?" অর্জুন ফিসফিস করে। তার আঙুল মায়ের পিঠে বুলিয়ে দেয়, ধীরে ধীরে নিচে নামে। রিয়া তার শরীরে একটা কাঁপন অনুভব করে – "অর্জুন... এটা কী করছিস?" কিন্তু তার গলা দুর্বল।

অর্জুন আরও কাছে সরে আসে। তার ঠোঁট মায়ের গলায় ছোঁয় – একটা নরম চুমু। রিয়া চোখ বন্ধ করে, তার মনে স্বামীর স্মৃতি মিলে যায় কিন্তু এটা অন্যরকম। অর্জুনের হাত তার শাড়ির নিচে ঢোকে, গোপন জায়গায় আলতো স্পর্শ করে। "মা... আমি তোমাকে চাই। তুমি আমার সবকিছু।" রিয়া কেঁপে উঠে – "না... এটা পাপ। কিন্তু... আহ..." তার শরীর বিদ্রোহ করে না।

তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। অর্জুন মায়ের শরীরে হাত বুলায়, তার স্তনের উপর আদর করে। রিয়া তার ছেলের শরীর অনুভব করে, তার গোপন অংশে হাত রাখে। "অর্জুন... তুই এত বড় হয়ে গেছিস।" তারা ধীরে ধীরে গোপন আদরের খেলায় মেতে ওঠে। অর্জুনের আঙুল মায়ের ভিতরে ঢোকে, তাকে উত্তেজিত করে। রিয়া হাঁপাতে থাকে – "আরও... ধীরে..."

অর্জুন তার মায়ের উপরে উঠে। তাদের শরীর এক হয়ে যায় – একটা তীব্র ঘনিষ্ঠ মিলন শুরু হয়। রিয়া তার ছেলেকে জড়িয়ে ধরে, তার গতিতে সাড়া দেয়। "মা... তুমি আমার..." অর্জুনের গতি বাড়ে, রিয়া চরম আনন্দে কাঁপতে থাকে। তারা একসাথে পৌঁছে যায় সেই গোপন চূড়ায়, ঘর ভরে যায় তাদের হাঁপানিতে।

সকালে রিয়া লজ্জায় মুখ ঢাকে। "অর্জুন... এটা আমাদের গোপন রাখতে হবে।" অর্জুন হেসে বলে, "মা, এটা আমাদের ভালোবাসা।"

কয়েক সপ্তাহ পর। তাদের সম্পর্ক গভীর হয়েছে। রিয়া আর অর্জুন প্রত্যেক রাতে একসাথে থাকে, গোপন আদরের খেলায় মেতে। কিন্তু রিয়ার মনে একটা ভয় – যদি কেউ জানে? অর্জুন তাকে আশ্বস্ত করে, "মা, আমরা একা। এটা আমাদের জগৎ।"

এক রাতে তারা আরও সাহসী হয়। রিয়া তার ছেলেকে বলে, "আজ তোকে সব দিব।" অর্জুন মায়ের শরীর উন্মুক্ত করে, তার ঠোঁট সর্বত্র চুমু দেয়। তার জিহ্বা মায়ের গোপন ফুলে ছোঁয়, তাকে পাগল করে। রিয়া চেঁচিয়ে ওঠে – "আহ... অর্জুন... আরও জোরে..." অর্জুন তার মায়ের উপরে উঠে, তাদের শরীর আবার এক হয়। এবার গতি তীব্র – আগুনের মতো s*ex-এর তাপে তারা জ্বলে ওঠে। রিয়া তার ছেলের পিঠে নখ বসায়, তার গতিতে সাড়া দেয়। "আরও গভীরে... তুই আমার সব নে..."

তারা পজিশন চেঞ্জ করে – রিয়া উপরে উঠে, তার ছেলেকে নিয়ন্ত্রণ করে। তার শরীর নাচতে থাকে, অর্জুন তার স্তন ধরে। চরম মুহূর্তে দুজনেই একসাথে পৌঁছে, তাদের শরীর কাঁপতে থাকে। রিয়া তার ছেলের বুকে মাথা রেখে বলে, "এটা আমাদের চিরকালের।"

কিন্তু পরদিন স্বামীর ফোন আসে – সে ফিরছে। রিয়া আর অর্জুনের মনে ভয়। কিন্তু তারা জানে, তাদের গোপন ভালোবাসা চলবে – লুকিয়ে। "মা, আমরা সবসময় একসাথে থাকব," অর্জুন বলে।

মায়ের গোপন আদর : পর্ব ২

Post a Comment

0 Comments